ডেস্ক রিপোর্ট

৩১ মে ২০২২, ৫:২৫ অপরাহ্ণ

নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে : জেলা প্রশাসক

আপডেট টাইম : মে ৩১, ২০২২ ৫:২৫ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

সিলেটের সকাল রিপোর্ট ॥ সিলেটের জেলা প্রশাসক মো মজিবর রহমান বলেছেন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিয়ে রোধে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে। এক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে ইমাম-পুরোহিত সহ ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে। পাশাপাশি শিক্ষকদেরকেও শিক্ষার্থীদের মনে এই অপরাধবিরোধী চেতনাবোধ জাগ্রত করতে বিশেষ দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এ লক্ষ্যে তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং শিক্ষা বিভাগকে কিছু নির্দেশনাও দিয়েছেন। তথ্য অফিস ও মহিলা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন, উঠান বৈঠক ও অন্যান্য প্রক্রিয়ায় গণসচেতনতা বৃদ্ধির। গণমাধ্যমকেও ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর আয়োজিত ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক পর্যালোচনা সভায় তিনি সভাপতির বক্তব্য রাখছিলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, নারী ও শিশুর নিরাপদে চলাফেরা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে আমাদেরকে আরেও সচেষ্ট হতে হবে। আমরা যথাযথ দায়িত্বশীল হলে সমাজ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন, অপহরণ, ধর্ষণ, যৌতুক ও বাল্যবিয়ের মতো অপকর্ম দূর করা মোটেই কঠিন নয়।
পর্যালোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক শাহিনা আক্তার। পাওয়ার পয়েন্টে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন, ওসিসির ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সুমনা ইসলাম।
আলোচনায় অংশ নেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো আনোয়ার সাদাত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো মাহফুজ আফজাল, সহকারী পুলিশ কমিশনার গৌতম দেব, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এ এস এম আব্দুল ওদুদ, জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-বশিরুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক আল আজাদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মো আবু সিদ্দিকুর রহমান, প্রবেশন অফিসার মো তমির হোসেন চৌধুরী, শাহপরান থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আনিসুর রহমান, জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সিলেট বিভাগীয় প্রধান অ্যাডভোকেট সৈয়দা শিরীন আক্তার, সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক ফৌজিয়া আক্তার, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা খাদিজা খাতুন, এফআইভিডিবির ডিভিশনাল ম্যানেজার নজরুল ইসলাম মনজুর, সিলেট মহানগর ইমাম সমিতির সভাপতি হাবীব আহমদ শিহাব, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার শামছুন্নাহার, কোতয়ালি মডেল থানার এসআই (নি) নীহারিকা সরকার, ব্রাকের টিএম এ বি এম জাহিদুল হাসান, জেলা সমন্বয়ক অনিক আহাম্মদ অপু, আইডিয়ার প্রকল্প কর্মকর্তা আঁিখ চৌধুরী প্রমুখ।
আলোচনায় নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিয়ের নানা কারণ উঠে আসে। এর পাশাপাশি এসব রোধে করণীয় সম্পর্কেও মতামত ব্যক্ত করা হয়। তবে সকলেই মানসিকতার পরিবর্তন, পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

শেয়ার করুন