ডেস্ক রিপোর্ট

২০ জুলাই ২০২২, ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ

বার্সায় গিয়ে লেভানদোভস্কির দাম বেড়ে গেল ১০ গুণ

আপডেট টাইম : জুলাই ২০, ২০২২ ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ

শেয়ার করুন

৫০ মিলিয়ন ইউরোয় বায়ার্ন মিউনিখ থেকে চার বছরের চুক্তিতে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছেন রবার্ট লেভানদোভস্কি। যেখানে তার রিলিজ ক্লজ ধরা হয়েছে ১০ গুণ বাড়িয়ে ৫০০ মিলিয়ন ইউরো।

যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) পোলিশ তারকা সঙ্গে কাগজে-কলমে চুক্তি সারে বার্সা। প্রায় তিন মাস ধরে জার্মান জায়ান্টদের সঙ্গে অনেক আলোচনা ও বৈঠক শেষে তাকে দলে ভেড়াতে সক্ষম হন জাভিরা।

এর আগে গত শনিবার (১৬ জুলাই) বায়ার্ন প্রেসিডেন্ট হার্বাট হাইনার নিশ্চিত করেছিল, পোলিশ তারকার বিষয়ে মৌখিক চুক্তিতে বার্সার সঙ্গে সম্মত হয়েছে তার ক্লাব। এর আগে তাকে পেতে প্রথম দফায় ৪০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব জানিয়েছিল বার্সা। কিন্তু জার্মান জায়ান্টরা তাদের দলের প্রাণভোমরাকে ছাড়তে কোনোভাবেই রাজি ছিল না।

বায়ার্নের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ ২০২৩ সাল পর্যন্ত থাকায় লেভানদোভস্কিও নিজে থেকে কিছু করতে পারছিল না। যদিও গত তিন মাস ধরে তিনি বার্সায় যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়েছিলেন। তাকে পেতে উম্মুখ হয়েছিলেন বার্সা কোচ জাভিও। কারণ নতুন মৌসুমে সেরা দল গঠণ করেই লড়াইয়ে ফিরতে চেয়েছিলেন এ স্প্যানিশ কোচ।

তিনি ভালো করেই জানেন, একমাত্র পোলিশ তারকায় বার্সায় মেসির অভাব পূরণ করতে পারেন। কারণ এ গোল মেশিন বায়ার্নে যোগ দেয়ার পর থেকে জার্মান জায়ান্টরা জিতেছে টানা আট বুন্দেসলিগা শিরোপা। সঙ্গে ২০১৯-২০ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ট্রফির শিরোপা তো ছিলই। বায়ার্নের হয়ে ৩৭৫ ম্যাচে তিনি গোল করেছেন ৩৪৪টি। এমন একজন গোল মেশিনকে পেলে যে কোনো কোচেরই ষোল-কলা পূর্ণ হওয়াটা স্বাভাবিক।

অনেক আলোচনা-বৈঠকের পরে শেষ পর্যন্ত মন গলে বায়ার্নের। লেভানদোভস্কির ইচ্ছায় সাড়া দিয়ে বার্সার প্রস্তাবে রাজি হয় বায়ার্ন। যেখানে লেভানদোভস্কিকে পেতে বার্সাকে গুনতে হয়েছে ৪৫ মিলিয়ন ইউরো। যার সঙ্গে কমিশন ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে যোগ হয়েছে আরো পাঁচ মিলিয়ন। চুক্তি অনুযায়ী কাতালুলিয়ানদের হয়ে ৩৩ বছর বয়সী পোলিশ স্ট্রাইকার খেলবেন ২০২৬ সাল পর্যন্ত। নতুন চুক্তিতে তার রিলিজ ক্লজ ধরা হয়েছে ৫০০ মিলিয়ন।

বার্সায় যোগ দেয়া প্রসঙ্গে এর আগে লেভানদোভস্কি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বুন্দেসলিগার বাইরে একটি লিগে খেলতে চেয়েছিলাম আমি। অনেক আগে থেকেই এই সিদ্ধান্ত ছিল আমার। যদিও স্বীকার করতেই হবে, জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল এটি।’

শেয়ার করুন