ডেস্ক রিপোর্ট

২১ জুলাই ২০২২, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ

সিলেটে বন্যার্তদের পাশে রানা প্লাজার ভিকটিমরা

আপডেট টাইম : জুলাই ২১, ২০২২ ৬:৫৬ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট: সঠিক ও স্বচ্ছপ্রক্রিয়ার মাধ্যমের মানুষের সেবা করে যেতে চায় লাভদেশ। এমনটাই জানিয়েছেন লাভদেশ ইউকের সিইও যুক্তরাজ্য প্রবাসী ইয়াসমীন চৌধুরী। বৃহস্পতিবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা জানান তিনি।
লিখিত বক্তব্যে ইয়াসমীন চৌধুরী জানান, তারই প্রতিষ্ঠিত তিনটি প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান লাভদেশ প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী, আম কারিজা ফাউন্ডেশন (এনজিও) এবং ইয়াসমিন ইজ ইয়াসমিন টিকটক এ কাজ করবে। তাকে সহযোগিতা করছেন তারই মেয়ে আরা ইকো ডিজাইনের প্রতিষ্ঠাতা আম্বার আরা চৌধুরী কেই ও রানা প্লাজা অগ্নিকান্ডের ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরা কয়েকজন ভিকটিম।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি, আমরা বিশ্বের যে কোন প্রান্তেই থাকি না কেন বাংলাদেশের মানুষের জন্য সর্বদা আমাদের মন কাঁদে। এদেশের মানুষের দুঃখ দুর্দশা আর কষ্টের কথা শুনলে আমরা ব্যতিত হই। তিনি বলেন, এবারের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে চাই। আমার লক্ষ অল্প অল্প করে হলেও এদেশের সুবিধা বঞ্চিত অবহেলিত মানুষদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার প্রয়াস চালানো। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে, এবারের বন্যার সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দরদী মানুষজন ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। পাশাপাশি প্রবাসীরাও বানভাসী মানুষের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে রানা প্লাজার ভিকটিমরা সিলেটে ছুটে এসেছেন বন্যার্তদের সাহায্যার্থে। সিলেটের মানুষের করুন কাহিনী শুনে তারা লাভদেশের পতাকাতলে সমবেত হয়েছেন। ইতোমধ্যে তারা বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের দুঃখ দুর্দশার কথা সরেজমিনে শুনেছেন এবং ভয়াবহ বন্যার ছোবলে ক্ষতবিক্ষত অঞ্চল ঘুরে দেখেছেন।
তিনি বলেন, আমরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য, ঘর সংস্কার ও কর্মসংস্থানের জন্য একটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করেছি। লাভদেশের নিজস্ব অর্থায়নে আমরা টি-শার্ট বিক্রির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করতে চাই। আমার বাবা মরহুম আলহাজ্ব আব্দুল মুকিত চৌধুরী মাখন মিয়ার সম্পত্তিতে সিলেট নগরীর আম্বরখানা, দর্শন দেউড়ী এবং বিয়ানীবাজারের ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চন্দরপুর আলীনগরে দুটি অফিস খোলা হয়েছে। সেখান থেকে আমি কোন ভাড়া নেই না। সেই অফিসে রানা প্লাজার ভিকটিম ও আমাদের কর্মকর্তারা কাজ করবেন। যেখানে বন্যার্তদের সাহায্যার্থে লাভদেশের মনোগ্রাম ও রিমেম্বার ১৭-৬-২২ লিখা টি শার্ট ও বাংলা ডিজিটাল পপ ম্যাগাজিন সম্পাদনা করে বিক্রি করা হবে। আমার পিতা তার সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ গরীবের জন্য দান করেছেন। আমার প্রাপ্যটুকুও অসহায় মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। তাছাড়া আমার মেয়ে আম্বার আরা চৌধুরী কেই রানা প্লাজার ভিকটিমদের ফ্রি প্রশিক্ষণ প্রদান করবে। এ ছাড়া দুর্গম এলাকায় পানিবন্দী হয়ে পড়া মানুষদের উদ্ধারে নৌকার চরম সংকট দেখা দেয়। তাই প্রাথমিকভাবে বিনামূল্যে কিছু নৌকা এসব এলাকার মানুষদের মধ্যে বিতরণ করা হবে বলেও জানান তিনি। এ সময় তিনি লাভদেশের এসব কার্যক্রমে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন